মহাকাশ নিয়ে কিছু অবাক করা তথ্য,জানলে অবাক হবেন

মহাকাশ বা পৃথিবীর বাহিরের জগত নিয়ে আমাদের উৎসাহের কমতি নাই।আমরা প্রতিনিয়ত এই মহাকাশে নতুন নতুন তথ্য খুঁজে চলেছি ।বিজ্ঞানিরা এই মহাকাশ নিয়ে নতুন নতুন তথ্য খুঁজে বের করার জন্য অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।আমাদের আজকের লেখার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর বাহিরের জগত তথা মহাকাশ নিয়ে এমন কিছু তথ্য জানব যা সত্যি অবাক করা মত।তাহলে চলুন শুরু করা যাক-

  • আমরা জানি আমাদের এই পৃথিবী পাহাড়-পর্বত,নদি-নালা ইত্যাদি নিয়ে তৈরি,কিন্তু আপনি জানেন কি আমাদের সৌরজগতে সবচেয়ে বড় পর্বত রয়েছে লাল গ্রহ অর্থাৎ মঙ্গল গ্রহে।
  • মহাকাশে কোন বায়ুমণ্ডল নেই আর মহাকাশে কোন শব্দ চলাচল করে না,কারন মহাকাশে শব্দ চলাচল করার মত কোন মাধ্যম নাই।
  • পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম তারকা মাত্র ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
  • আপনি জানেন কি একটি নিউট্রন তারকার এক চা চামচ পদার্থের ভর এক বিলিয়ন টন মাত্র।
  • আপনি অনেক দুঃখ পেয়ে মহাকাশে কাদতে চাইলেও কাদতে পারবেন না।কারন কান্না করার জন্য আপনার চোখের পানি নিচের দিকে আসতে হবে,কিন্তু এটা কখনই মহাকাশে সম্ভব না।
  • ১৯৭৭ সালে আমরা সুদূর মহাশূন্য থেকে একটি সংকেত পেয়েছিলাম, যেটা ৭২ সেকেন্ডব্যাপী স্থায়ী হয়েছিল।আমরা এখনো জানি না, কীভাবে বা কোথা থেকে এটা এসেছিল।
  • শনি গ্রহের বলয় গুলো নিরেট নয়। এগুলো বরফ, ধুলা এবং পাথরের টুকরা দিয়ে গঠিত।
  • আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন যে, শুক্র গ্রহের একদিন এর বছরের চেয়ে দীর্ঘ।শুক্র গ্রহ তার নিজ অক্ষে একবার আবর্তন করতে পৃথিবীর ২৪৩ দিন সময় নেয়।আর সূর্যের চারপাশে কক্ষপথে ঘুরে আসতে শুক্র গ্রহ পৃথিবীর ২২৫ সময় নেয়।)
  • মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ তারাদের এক বিশাল নগরী বা শহর বলা চলে, মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ এত বিশাল যে, যদি আপনি আলোর বেগেও ভ্রমণ করেন মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে আপনার ১০০,০০০ বছর লেগে যাবে।
  •  আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন যে, কৃষ্ণবিবর এতটাই ঘন যে, আলোও পর্যন্ত রেহাই পায় না।নিচের ছবি দেখলে এই সম্পর্কে ধারনা পাবেন।

এই ছিল আমাদের মহাকাশ এর অবাক করা সব বিষয় নিয়ে আজকের আয়োজন।আপনার কাছে মহাকাশের কোন অবাক করা তথ্য থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন।লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

তথ্য সুত্রঃ ইন্টারনেট