ক্যামেরা আবিস্কার এবং এর আবিষ্কারক এর অজানা ইতিহাস

বর্তমান সময়ে ক্যামেরার প্রয়জনিয়তা যে এতো তা বলে শেষ করা যাবে না। আমাদের দৈনিক জিবনে ক্যামেরা প্রয়োজনীয়তা অনেক। যেকোনো কাজে কর্মে ছবি তোলার দরকার হলেই আমরা ১ মিনিটের মধ্যেই ছব তুলে আমরা আমাদের প্রয়জনীয়তা শেষ করে ফেলতেছি। তাহলে আপনি এবার চিন্তা করেন ক্যামেরা কতো দরাকারী কাজগুলি সমাধান করে দিচ্ছে। আবার মনে করেন যেকোনো দৃশ্যকে স্মৃতির কোঠায় রাখতে চামেরার বিকল্প আর কিছুই নেই। চবি মানুশের ধর্মের, আকার, আকৃতিকে সহজেই ক্যাপচার করতে পারে। এবং ছবি হাসি কান্না সুখ দুঃখ ইত্যাদি কিছু বর্ণনা দিতে পারে। ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে ধরতে পারেন নির্দিষ্ট কোনো স্থানের কোনো কিছুকে। কিন্তু এখানে আমরা যে যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা এতো ছবি বা ভিডিও অথবা কোনো ঘটনাকে বন্ধি করতে পারতেছি। সেই ক্যামেরা নামক যন্ত্রটি আসলে এমনি এমনি এতো সহজে তৈরি করা হয় নি।

অনেক সময় গবেষনা করার পরেই এই ছবি তোলার বিষয়টি মানুষের মাথায় আসে। যদি এই ক্যামেরা এর বিষয় নিয়ে বিস্তারিত বলতে চাই। তাহলে আমাদের ফিরে যেতে হবে অত্যান্ত অনেক হাজার বছর আগের দুনিয়াতে। আপনারা কখনো কি দেখেছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে আগে তৈরি করা ক্যামেরাটি? ১০২১ সালে ইরাকের একটি বিজ্ঞানী এই প্রথম ক্যামেরা আবিষ্কার করেন। এবং এই ক্যামেরা তৈরি করার আগে অনেক বই লিখেছিলেন ঐ বিজ্ঞানী যা অনেক পরিমানের লিখা ছিলো ক্যামেরা আবিষ্কার নিয়ে।এবং তখনার শিল্পীরা যা বরতমান সময়ে আমরা আর্ট মানুষ হিসাবে চিনে থাকি।

তখনকার সময়ে তারা তাদের আকা ছবি ক্যাপচার করার জন্য ক্যামেরা তৈরির চিন্তা করেন। এবং এরম চেষ্টা করতে করতে ১৫৫০ সালে এক বিজ্ঞানী ক্যামেরা তে সর্বপ্রথম লেন্স লাগায়। ক্যামেরার ইতিহাসে ১৮৪১ সালে আলক চিত্র ধারনের প্রথম কাজটি করেন। তারপর আরেক বিজ্ঞানী পাতলা কাঠের মধ্যে ক্যামেরাটি নির্মাণ করেন। এবং সেই সাথে তাকেই প্রথম ক্যামেরার আবিষ্কারক বলা হয়। এবনফ ১৯৪৮ সালে প্রথম আবিষ্কার করা হয় পলারেট ক্যামেরা। যা ধারা কিছু সময়ের মধ্যে মাত্র কিছু নেগেটিব ইমেজ কে পজেটিব ইমেজ ধারার পরিনিত করা সম্ভব হতো। এবং সেই ক্যামেরা ৮০ বছরের মতো প্রায় চলতে থাকে। তারপর আবার ১৯৮০ সালে এক কম্পানি ডিজিটাল ক্যামেরা তৈরির জন্য কাজ করে থাকে।

কিন্তু এখনাকার সময়ে অনেক বড় বড় ক্যামেরা পাওয়া যায়। এবং তা অনেক পানির দামে। এবং সেটি ধারা অনেক ভালো ভালো ছবি ক্যাপচার করা যায়। তাহলে আপনি একবার চিন্তা করে দেখুন ক্যামেরা বানাতে কতো বছর এবং ক্তো গবেষনা করতে হয়েছে।ও তারপর আমরা এই ক্যামেরা আমরা হাতে পেয়েছি আজকের দিনে।

Leave a Comment