পাশ করা হল ‘লাভ জিহাদ’ আইন!ন্যূনতম ৫ বছরের জেল

শিব রাজ চৌহ্বান সরকার পাশ করল লাভ জিহাদ আইন।এখন থেকে যদি কেউ কাউকে জোড় করে ধর্মান্তরিত করে তাহলে তাঁকে কঠিন সাজার মুখোমুখি হতে হবে।এই আইনের ফলে অপরাধীকে কমপক্ষে পাঁচ বছরের সাজা খাটতে হবে এবং এই সাজা ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং সাথে গুনতে হবে আর্থিক জরিমানা।

বিধানসভার শীতকালীন অদিবেশন শুরুর আগেই বিলটি উত্থাপন করেন মন্ত্রী সভা।জোর করে ধর্মান্তকরণ নিয়ে লাভ জিহাদ আইন প্রথমে পাশ করে উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার আর এর পরেই জোর করে ধর্মান্তকরণ নিয়ে কড়া আইন পাশ করল মধ্য প্রদেশ সরকার।

লাভ জিহাদ আইনে যা যা উল্লেখ করা হয়েছে,কেউ যদি জোর করে ধর্মান্তকরণ করার মত অপরাধ করে তাহলে সেই ব্যাক্তিকে কমপক্ষে ৫ বছর জেল খাটতে হবে এবং সাথে গুনতে হবে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।কেউ যদি আর্থিক জরিমানা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তাহলে তাঁকে আরও ১ বছর অতিরিক্ত জেল খাটতে হবে।এবং লাভ জিহাদ এর নাম করে যদি তপশীল জাতী বা তপশীল উপজাতির কাউকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয় তাহলে এই জেল আর জরিমানা হয়ে যাবে দিগুন।অর্থাৎ,এই জাতী বা উপজাতির কাউকে লাভ জিহাদের নামে জোর করে ধর্মান্তকরণ করলে সাজা হবে ১০ বছর জেল এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

কোন ব্যাক্তি লাভ জিহাদ মামলায় অভিজুক্ত হলে অবশ্যই সেই ব্যাক্তি নিজেকে নির্দোষ প্রমান করার সুযোগ পাবে।অভিযোগ উত্থাপন হবার পর দুই মাস সময় দেওয়া হবে নিজেকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য।তাঁকে প্রমান করতে হবে যে তাঁকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হয়নি সে নিজ ইচ্ছায় ধর্মান্তকরণ হয়েছেন।যদি কেউ প্রমান করতে না পারেন তাহলে এই আইন অনুসারে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহ্বান জানিয়েছেন,আমাদের পুলিশ এবং এই আইন যেন সঠিকভাবে কাজ করে সেই ব্যাপারে নজরদারি রাখা হবে।এবং আমাদের এই রাজ্যে কোনভাবেই লাভ জিহাদ তথা জোড় করে ধর্মান্তকরণ  মেনে নেওয়া হবে না।

এর আগে উত্তর প্রদেশের সরকারও একই বিল পাশ করেছে।সেখানেও জোড় করে ধর্মান্তকরণ নিয়ে কঠিন আইন আনার জন্য আলোচনা করা হচ্ছে।এদিকে পুরো ভারত জুরে লাভ জিহাদ বা জোড় করে ধর্মান্তকরণ নিয়ে আইন পাস করার কথা বলছেন একাধিক বিজেপি নেতা।যদিও বিজেপি নেতাদের এসব দাবি নিয়ে কেন্দ্র সরকার এখন পর্যন্ত কোন আলোচনা শুরু করেনি।