হ্যালো বন্ধুরা আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আজ আমি আপনাদের নিয়ে একটি আর্টিকেল পাবলিশ করতে এসেছি সেটি হল ইউনিভার্সাল মোটর যা যা নিয়ে গঠিত তা নিয়ে সকল বিস্তারিত আলোচনা করব আর্টিকেল এর মধ্যে চলে আসা যাক।
ইউনিভার্সাল মোটর সাধারণত কয়েক গুলো অংশ নিয়ে গঠিত যেমনঃ
এমআরটি আসলে একটি ডিসি সিরিজ মোটর। ডিসি সেরিজ মতর দেখা গেছে যে এর বাহিরে টার্মিনালের সাপ্লাইয়ের পরিবর্তন করে দিল মোটরের ঘূর্ণনের দিক এর কোন পরিবর্তন হয় না। কারণ এর মেসারোফ ফিল্ডের কারেন্ট প্রবাহের দিক একসময়ে পরিবর্তিত হয়ে থাকে যার ফলে এর ঘূর্ণনের দিক কোন পরিবর্তন হয় না। এ নীতির ওপর নির্ভর করেই সিরিজ মোটরের টার্মিনাল এর পরিবর্তে সমপরিমাণ এসি সাপ্লাই দেওয়া হয়। প্রতি সাইকেলে টার্মিনালে পোলারিটি দুবার পরিবর্তন করা। এবং এটি দুবার পরিবর্তন হলো মোটরের ঘূর্ণনের কোন পরিবর্তন হয় না। এই মোটর দিকে তাকালে দেখা যায় উপরোক্ত যুক্তির জবাবে প্রমাণিত হয়। এবং এম মোটর এর উপরে টার্মিনালে পজিটিভ প্লাস বি এবং নীচের টার্মিনালে নেগেটিভ সাপ্লাই দেওয়া হয়। হলে উপরোক্ত মেরু অঞ্চল এবং নিচে দক্ষিণ মেরু এস ফুল তৈরি করা হয়েছে। কাজেই আর্মেচারের উপরদিকে অর্ধেক কন্ডাকটর প্লাস ভোল্টেজের এবং অর্ধেক কন্ডাক্টরস ভোল্টেজ সাপ্লাই পেয়ে থাকে।
এ অবস্থায় ফ্রেমিং এবং বাম হাতের সূত্র অনুযায়ী ঘড়ির কাটার উল্টা দিকে ঘুরে। যার কারণে এই মোটর দ্বারা সহজেই ঘড়ির কাজে ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়। যেহেতু টার্মিনালে এস সি সাপ্লাই দেখানো হয়েছে সেহেতু দ্বিত্ব অর্থ সাইকেল টার্মিনালটি পরিবর্তে উপরের নেগেটিভ এবং এস আর নিচে পজেটিভ সৃষ্টি হয়। ফলে আর্মেচারের কারেন্ট প্রবাহের দিক পরিবর্তন থাকে। তা আপনি সাধারণত এই মোটরের দেখলেই বুঝতে পারবেন। এখানে ফ্লেমিং এর বাম হাতের সূত্র অনুযায়ী মোটর ঠিক আগের মত অর্থাৎ কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরতে থাকবে। কাদের দেখা যায় টার্মিনালের পোলারিটি পরিবর্তন হলেও মোটরের রুটের ঘূর্ণনের দিক এর কোন পরিবর্তন হতে পারে না। এ ধরনের মোটর এর গতিবেগ পরিবর্তন করতে হলে এডমিশন না হয় গো লাইটিং এর সংজ্ঞা পরিবর্তন করে কারেন্ট প্রবাহ করা লাগবে। অর্থাৎ ফুল্ল ডে গতিবেগ কবে থাকে এবং লো লোড খুব বেশি হয়। এ মোটরের গ্রহণের দিকটি শুধু ২০০০০ আরপিএম নো লোড হতে থাকে। এর স্পিড শুধুমাত্র এর নিজস্ব ফ্রিকোয়েন্টলি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে সাধারণত ট্রেন ব্যবহার করে এর গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Leave a Reply